
হোটেল গ্র্যান্ড সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জ শহরের মেজর ইকবাল রোডে (পুরাতন বাসস্ট্যান্ড) হোটেল গ্র্যান্ড সুনামগঞ্জ। হোটেলের নিজস্ব ওয়েবসাইটে ডিলাক্স, লাক্সারি ও স্যুট রুমের তালিকা আছে।
Tanguar Haor trips, Sunamganj (departure ghat not published) · সুনামগঞ্জ ও টাঙ্গুয়ার হাওর
২০২৬ সালের ২ আগস্ট সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন টাঙ্গুয়ার হাওরের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় সব হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করে। টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর সংরক্ষণ আদেশ, ২০২৫-এর আওতায় দেওয়া এই নিষেধাজ্ঞা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। কিছু বাংলা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব ইঞ্জিনচালিত নৌযানই এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে। নৌযান পরিচালনাকারীদের জেলা প্রশাসনের কাছে নিবন্ধনও বাধ্যতামূলক। ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো খবর আমরা পাইনি। তাই বুকিং বা টাকা দেওয়ার আগে নৌযান পরিচালনাকারীর পাশাপাশি সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন অথবা তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জেনে নিন, এখন কী কী করা যাবে।
সর্বশেষ যাচাই: ২০ অক্টো, ২০২৬। প্রতিবেদনটি পড়ুন
প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ওয়েবসাইট ও প্রকাশ্যে পাওয়া অন্যান্য তথ্য দেখে এই তালিকা তৈরি করেছি। সর্বশেষ যাচাই: ২০ অক্টো, ২০২৬। রুম, ভাড়া ও ছবির তথ্য প্রতিষ্ঠানটি নিজে নিশ্চিত করেনি। তাই বুকিংয়ের আগে সরাসরি তাদের সঙ্গে কথা বলে নিন। প্রতিষ্ঠানটি কি আপনার? বিনামূল্যে মালিকানা নিশ্চিত করুন।
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের পর্যটকবাহী হাউসবোট মুন অব টাঙ্গুয়া ২০২৬ সালের মৌসুমে চলছিল বলে সংবাদে জানা যায়।
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকদের নিয়ে ঘোরে মুন অব টাঙ্গুয়া। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে হাউসবোটটি চালু ছিল বলে সংবাদে প্রকাশিত হয়। ওই সময় হাওরে পর্যটক নিয়ে চলাচল করছিল প্রায় ১৫০–১৬০টি হাউসবোট।

সুনামগঞ্জ শহরের মেজর ইকবাল রোডে (পুরাতন বাসস্ট্যান্ড) হোটেল গ্র্যান্ড সুনামগঞ্জ। হোটেলের নিজস্ব ওয়েবসাইটে ডিলাক্স, লাক্সারি ও স্যুট রুমের তালিকা আছে।

আনোয়ারপুর ঘাট থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে দুই দিন এক রাতের ট্যুর করে হাউসবোট কুহেলিকা। আটটি কেবিনের প্রতিটিতে নিজস্ব বাথরুম আছে।
বি-ট্রাভেলার্সের বজরা ধাঁচের এই হাউসবোট সুনামগঞ্জ শহরের সাহেববাড়ি ঘাট থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে দুই দিনের ভ্রমণে যায়।