
দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা
মৌলভীবাজার শহরের দক্ষিণে শ্রীমঙ্গল সড়কের পাশে পাহাড়ি রিসোর্ট; হোটেল কক্ষ, ভিলা, সুইমিং পুল ও স্পা রয়েছে।
হোটেল, রিসোর্ট ও হাউসবোটে সরাসরি ফোন বা মেসেজ করুন, অথবা অনলাইন অগ্রিম নেন এমন পার্টনারকে বুকিং অনুরোধ পাঠান।

মৌলভীবাজার শহরের দক্ষিণে শ্রীমঙ্গল সড়কের পাশে পাহাড়ি রিসোর্ট; হোটেল কক্ষ, ভিলা, সুইমিং পুল ও স্পা রয়েছে।

মিরের ময়দানে রেস্টুরেন্টসহ ছোট কম খরচের হোটেল, প্রায় ২২টি রুম, সকালের নাস্তা, ওয়াই-ফাই, জেনারেটর ও সিসিটিভি পার্কিং আছে।

রামনগর মণিপুরীপাড়ায় চা-বাগানের পাশে রিসোর্ট, শহর থেকে ৩ কিলোমিটার; খোলা সুইমিং পুল ও ২৮টি স্যুট আছে।

চা-বাগানে ঘেরা বড় পাঁচ তারকা রিসোর্ট; গলফ কোর্স ও সুইমিং পুল আছে, শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার।
বড়শালায় বিমানবন্দর সড়কের পাঁচ তারকা হোটেল ও রিসোর্ট, ২৩৫টি রুম, ছাদে সুইমিং পুল, স্পা, সিনেমা হল ও শিশুদের খেলার জায়গা আছে।

আম্বরখানার ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডের তিন তারকা মানের হোটেল, থাই স্পা, জিম, ক্যাফে এবং সিঙ্গেল থেকে স্যুট পর্যন্ত রুম আছে।

সিলেট শহরের জিন্দাবাজারের পূর্বে নাইওরপুলে বঙ্গবীর রোডের হোটেল।

এয়ারপোর্ট রোডের আম্বরখানা পয়েন্টে শাহ কামাল মার্কেটে বাজেট থেকে মাঝারি মানের হোটেল; সিঙ্গেল, কাপল, ট্রিপল ও ফ্যামিলি রুম আছে।

সুনামগঞ্জ শহরের হোটেল; শুধু বুকিং সাইটের তালিকা থেকে জানা, বিস্তারিত নিশ্চিত নয়।

পূর্ব দরগাহ গেটের রশীদ এম্পোরিয়ামের দোতলায় দুই তারকা হোটেল, ফ্যামিলি রুম ও স্যুট আছে।

দরগাহ গেটের হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজার থেকে হাঁটা দূরত্বে, ছাদে ইনফিনিটি পুল, জিম, স্পা ও বিনামূল্যে পার্কিং আছে।

জিন্দাবাজারের হযরত শাহজালাল রোডে ৩৪ রুমের সিটি হোটেল, চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও ফ্যামিলি স্যুট আছে।

তালতলা পয়েন্টে সাশ্রয়ী থেকে মাঝারি মানের হোটেল, ১,৫০০ টাকা থেকে রুম, ছয়জন পর্যন্ত ফ্যামিলি রুম ও ব্যাংকুয়েট হল আছে।

সুবহানীঘাটে সিলেট টাওয়ারের তিন তারকা হোটেল, প্রায় ৪০টি রুম, রেস্টুরেন্ট, ব্যাঙ্কুয়েট হল ও সকালের নাস্তা অন্তর্ভুক্ত।
জাফলংয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ছোট সরকারি মোটেল, বাজার এলাকা থেকে একটু বাইরে।

সিলেট–তামাবিল সড়কে সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা তামাবিলের রিসোর্ট, জাফলং থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে।

আনোয়ারপুর ঘাট থেকে দুই দিন এক রাতের টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের আট কেবিনের হাউসবোট; প্রতিটি কেবিনে নিজস্ব বাথরুম।

লামাবাজারের ভিআইপি রোডে বুটিক হোটেল; ছাদে কাচঘেরা রেস্টুরেন্ট আছে এবং সব রুম ভাড়ায় নাশতা অন্তর্ভুক্ত।

জিন্দাবাজারের কাছে মির্জাজাঙ্গালের মাঝারি দামের হোটেল, ইনডোর সুইমিং পুল, ছাদে খাবারের জায়গা, জিম ও সভাকক্ষ আছে।

রাধানগরের বিশামনিতে টিলার ওপর ইকো রিসোর্ট; কটেজ, ভিলা, সুইমিং পুল আর চা ও আনারস বাগানের দৃশ্য।

রাধানগরে ভানুগাছ সড়কের কটেজ রিসোর্ট; টিন ও বাঁশের কটেজ, কাচের ঘর আর টিলার দৃশ্যসহ ভিলা।

রাধানগরের হোটেল ও রিসোর্ট; সুইমিং পুল, স্পা, জাকুজি, ফিটনেস সেন্টার, রেস্তোরাঁ ও পাহাড়ি ক্যাফে আছে।

সিলেটের বড়শালায় এয়ারপোর্ট রোডে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মোটেল; এসি ও নন-এসি রুম, রেস্টুরেন্ট আছে।

সুনামগঞ্জ সড়কের ফাজিলচিশতে গেস্ট হাউস, সকালের নাস্তা, ওয়াই-ফাই, লিফট ও চারতলায় রেস্টুরেন্ট আছে।

মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান রোডে এসি ও নন-এসি কক্ষ, নদীমুখী স্যুইট, রেস্তোরাঁ ও সভাকক্ষসহ হোটেল।

শ্রীমঙ্গলের উত্তরে সিলেট-মৌলভীবাজার মহাসড়কের রাজাপুরে রিসোর্ট; সুইমিং পুল, কটেজ ও ফ্যামিলি রুম আছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একটি হোটেল ও রিসোর্ট, নামটি ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর এলাকা থেকে।

রাধানগরে ফিনলে চা-বাগানের পাশে খামারভিত্তিক ছোট ইকো রিসোর্ট; বাঁশ ও কাঠের কটেজ, নিজেদের খামারের খাবার।

তামাবিল সড়কে শহর থেকে ৭.৫ কিমি দূরে খাদিমনগরের টিলায় রিট্রিট, প্রায় ২৪টি রুম, দুটি পুল ও বনের দৃশ্যসহ রেস্টুরেন্ট আছে।

কমলগঞ্জের শমশেরনগর বিমানবন্দরের কাছে এসি ও নন-এসি কটেজ, সুইমিং পুল ও খোলা জায়গায় খাবারের ব্যবস্থাসহ কটেজ রিসোর্ট।

বাহুবলের পুটিজুরিতে বিশাল পাহাড়ি এলাকায় পাঁচ তারকা লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিসোর্ট; টাওয়ার ভবন, ভিলা, লেক ও সুইমিং পুল রয়েছে।

এয়ারপোর্ট রোডের বড়শালায় উচ্চমানের হোটেল, সুইমিং পুল, স্পা, ছাদে রেস্টুরেন্ট ও বিমানবন্দর ট্রান্সফার আছে।

শাহজালাল (র.) মাজারের বিপরীতে আজিজ টাওয়ারে কম খরচের হোটেল, স্ট্যান্ডার্ড, টুইন ও ফ্যামিলি রুম আছে।

রাধানগরের রিসোর্ট; কটেজ, ডিলাক্স রুম ও প্রাইভেট পুলসহ ভিলা আছে, লাউয়াছড়া থেকে প্রায় দশ মিনিটের পথ।

কুলাউড়ার কাছে সিআরপি (পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র) গোবিন্দপুর কেন্দ্রের গেস্ট হাউস।
রাধানগরের হোটেল ও রিসোর্ট, আগে নাম ছিল এসকেডি আমার বাড়ি রিসোর্ট; রুম বুকিংয়ের সঙ্গে পুলে সাঁতারের সুযোগ।

জিন্দাবাজারের কাছে জল্লারপাড় রোডে নতুন উচ্চমানের হোটেল, গ্র্যান্ড প্যালেস গ্রুপের অংশ, সুইমিং পুল আছে।

জেরিন চা-বাগানের কাছে ভানুগাছ সড়কের পাশে পরিবার পরিচালিত ছোট গেস্টহাউস; ঘরোয়া খাবার ও গাইডসহ হাঁটা।

পূর্ব দরগাহ গেটের হলি কমপ্লেক্সে ৫২ কক্ষের হোটেল, শাহজালাল দরগাহ থেকে হাঁটা পথ; লিফট ও রেস্টুরেন্ট আছে।

পূর্ব দরগাহ গেটের দশতলা হোটেল, ৮৩টি রুম, ছাদে সুইমিং পুল, ২৪ ঘণ্টার রেস্টুরেন্ট ও বড় ব্যাঙ্কুয়েট হল আছে।


পুলিশ লাইনের কাছে মীরের ময়দান পয়েন্টে মাঝারি মানের হোটেল; নাশতা অন্তর্ভুক্ত, রেস্টুরেন্ট, জিম ও কনভেনশন হল আছে।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের কাছে লাউয়াছড়া সড়কের রিসোর্ট; বড় সুইমিং পুল, স্পা, জিম ও নানা ধরনের স্যুট আছে।

খাদিমনগরে ছয় একর সাজানো টিলাভূমির রিসোর্ট, জাকুজিসহ ৩৫টি রুম, বড় সুইমিং পুল, স্পা ও ক্যাফে আছে।

লালাখালে সারি নদীর ওপরে টিলার রিসোর্ট, এখানে ইনফিনিটি পুল, নদীমুখী রেস্তোরাঁ ও নৌভ্রমণের ব্যবস্থা আছে; পরিচালনায় নাজিমগড় রিসোর্টস।

উত্তর জেল রোডের ডব্লিউ টাওয়ারে হোটেল, পানসী রেস্টুরেন্টের সঙ্গে যুক্ত, ফ্যামিলি রুম ও নাশতা সহ।

শাহজালাল উপশহরের বড় হোটেল, ১৪০টি রুম ও স্যুট, ছাদে গরম পানির সুইমিং পুল, থাই স্পা ও একাধিক রেস্টুরেন্ট আছে।

মীরবক্সটুলায় হোটেল, বুফে নাশতা, মাল্টি-কুইজিন রেস্টুরেন্ট, ছাদে বারবিকিউ ও ব্যাংকুয়েট হল আছে।

শ্রীমঙ্গলের রাজাপুরে রিসোর্ট; সুইমিং পুল, চায়ের লাউঞ্জ, বাগান ক্যাফে এবং কাঠের ভিলা ও কটেজ আছে।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কাছে ঢাকা-মৌলভীবাজার মহাসড়কের হোটেল; রেস্তোরাঁ, লিফট ও কনফারেন্স রুম আছে।
বি-ট্রাভেলার্স পরিচালিত বজরা-ধাঁচের হাউসবোট; সুনামগঞ্জ শহরের সাহেববাড়ি ঘাট থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে দুই দিনের ভ্রমণ।
শ্রীমঙ্গল শহরের কাছে হবিগঞ্জ সড়কের উত্তরসুরে কম খরচের রিসোর্ট; সুইমিং পুল ও ছাদের রেস্তোরাঁ আছে।
সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন বাস স্টেশন রোডের হোটেল; রেস্টুরেন্ট, ফ্রি ওয়াই-ফাই আছে, ভাড়ার সঙ্গে নাশতা।
শাল্লার ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারে শহীদ মিনারের পাশে জেলা পরিষদের ডাক বাংলো; সাধারণ ও ভিআইপি কক্ষে বেসরকারি অতিথিও থাকতে পারেন।
দরগাহ মহল্লায় শাহজালাল (র.) মাজারের পাশে রেস্ট হাউস, এসি, নন-এসি ও সাশ্রয়ী রুম আছে।
কমলগঞ্জ উপজেলার বনগাঁওয়ে অবস্থিত ছোট রিসোর্ট, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের আবাসন তালিকাভুক্ত।
কমলগঞ্জের আদমপুর বাজারের কাছে ভানুবিল মাঝেরগাঁও মণিপুরী গ্রামে কমিউনিটিভিত্তিক পর্যটন উদ্যোগ।
ছয়টি কক্ষে ১২–১৮ জনের দলের জন্য হাউসবোট; সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে দুই দিন এক রাতের ভ্রমণ।
পাঁচ কেবিনে ১০–১৫ জনের থাকার ব্যবস্থাসহ হাউসবোট; টাঙ্গুয়ার হাওর ও আশপাশের দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণ।
সুনামগঞ্জে সুরমার ওপর আবদুল জহুর সেতুর পাশে, সাচনা রোডের অ্যাম্বার পয়েন্টে ক্যাফে ও ইকো রিসোর্ট।
দরগাহ গেটের ওয়েভস ব্লকে প্রায় ১০ রুমের ছোট বুটিক হোটেল, মাজার থেকে পাঁচ মিনিটের হাঁটা পথ।
শাহজালাল রোডের আম্বরখানা পয়েন্টে শহরের হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজারের কাছে; সিকৃবি ও শাবিপ্রবির সম্মেলনের সহযোগী হোটেল।
১০-১৬ জনের দলের জন্য টাঙ্গুয়ার হাওরের হাউসবোট; বাস পৌঁছানোর পর সুনামগঞ্জেই সরাসরি বোটে ওঠা যায়।
শহরের পূর্বে খাদিমনগরের দলইপাড়ায় হোটেল ও রিসোর্ট, রুম ও বিনোদনের ব্যবস্থা আছে।
টাঙ্গুয়ার হাওরের পুরোপুরি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত হাউসবোট; সব কক্ষে সংযুক্ত বাথরুম, প্রিমিয়াম কাপল রুমে ব্যালকনি।
এয়ারপোর্ট রোডের এয়ারপোর্ট গেটে হোটেল ও কমিউনিটি সেন্টার, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে।
শাহজালাল (র.) মাজারের মূল গেটে জিয়ারতকারীদের জন্য হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও রুম সার্ভিস আছে।
শাহজালাল মাজার থেকে প্রায় এক মিনিটের পথে ৫০ কক্ষের হোটেল; ব্যাংকুয়েট হল, ২৪ ঘণ্টার রেস্টুরেন্ট ও ছাদে খোলা জায়গা আছে।
পূর্ব দরগাহ রোডে নতুন চালু হওয়া সাশ্রয়ী রেস্ট হাউস, শাহজালাল (র.) মাজার থেকে অল্প হাঁটা পথ।
কমলগঞ্জে শ্রীমঙ্গল সড়কে এনজিও পরিচালিত গেস্ট হাউস ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র; এসি কক্ষ, নন-এসি কটেজ ও অর্ডারে খাবার মেলে।
সুনামগঞ্জ শহরের হাজীপাড়ায় সার্কিট হাউসের পাশে গেস্ট হাউস; এসি, নন-এসি ও দলগত রুম আছে।
হাওর কন্যা: টাঙ্গুয়ার হাওরে রাত্রিযাপনের হাউসবোট; বুকিং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে।
টাঙ্গুয়ার হাওরে ৯২ ফুট লম্বা কাঠের হাউসবোট; তালা দেওয়া ছয়টি কেবিন ও দুটি কমন টয়লেট।
তাহিরপুরের টেকেরঘাটে নীলাদ্রি লেকের কাছে রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্ট; এসি ভিআইপি কক্ষসহ থাকার ব্যবস্থা ও অর্ডারে খাবার।
১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত তেলিহাওরের ভিআইপি রোডে হোটেল, কিন ব্রিজের কাছে, ৬২টি রুম, রেস্টুরেন্ট ও কনফারেন্স হল আছে।
হবিগঞ্জ শহরের কেন্দ্রে পৌরসভার কাছে সংযুক্ত বাথরুমসহ সিঙ্গেল ও ডাবল কক্ষের সাশ্রয়ী হোটেল।
সুরমার দক্ষিণে কদমতলীর হুমায়ূন রশিদ চত্বরে হোটেল; কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশনের কাছে।
বড়লেখা শহরের দক্ষিণবাজারে হোটেল; মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ও হাকালুকি হাওর ঘোরার জন্য সুবিধাজনক।
সুনামগঞ্জ শহরের মধ্যবাজারে বাজেট আবাসিক হোটেল, প্রধান ট্রাফিক মোড় থেকে হাঁটা দূরত্বে।
রাজারগলিতে এসি ও কাপল রুমের আবাসিক হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজার থেকে কয়েক মিনিটের পথ।
তেলিহাওরে নন্দিতা সিনেমা হলের কাছে প্রায় ৬০ রুমের দুই তারকা সাশ্রয়ী হোটেল, শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১ কিমি।
সিলেটের প্রধান কেনাকাটা ও রেস্টুরেন্ট এলাকা পূর্ব জিন্দাবাজারে শহরের কেন্দ্রস্থলের হোটেল।
পাঠানটুলার মদিনা মার্কেটে আখতার শপিং সিটির সাততলায় হোটেল, শাবিপ্রবির সম্মেলনগুলোর সহযোগী হোটেল হিসেবে ব্যবহৃত।
মেন্দিবাগের গাজী বুরহান উদ্দিন রোডে সাশ্রয়ী হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ব্যাংকুয়েট সুবিধা আছে।
দরগাহ মহল্লা রোডে প্রায় ৩০ রুমের হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজার থেকে প্রায় পাঁচ মিনিটের হাঁটা পথ।
পূর্ব জিন্দাবাজারের বারুতখানা পয়েন্টে সিম্ফনি হাইটসে হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ছাদ আছে।
পূর্ব দরগাহ গেটের লাভলী কমপ্লেক্সে প্রায় ২০টি এসি রুমের দুই তারকা সাশ্রয়ী হোটেল।
ঝরনারপাড়ে পশ্চিম দরগাহ গেটে সাশ্রয়ী হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজার থেকে অল্প হাঁটা পথ।
বিমানবন্দর সড়কের আম্বরখানা পয়েন্টের হোটেল, শাবিপ্রবির আইসিইআরআইই ২০২৭ সম্মেলনের অতিথিদের জন্য তালিকাভুক্ত।
কদমতলী পয়েন্টে ফেঞ্চুগঞ্জ রোডে সাশ্রয়ী আবাসিক হোটেল; কদমতলী বাস টার্মিনালের কাছে।
সোবহানীঘাটে এসি ও নন-এসি রুমের সাশ্রয়ী আবাসিক হোটেল, রুম সার্ভিস ও ব্যাংকুয়েট হল আছে।
সুরমা নদীর তীর ও কিন ব্রিজের কাছে পূর্ব বন্দরবাজারে পুরনো শহরকেন্দ্রের হোটেল।
মিরাবাজারে তামাবিল রোডের মিরা টাওয়ারে হোটেল, গার্ডেন রেস্টুরেন্ট ও রুম সার্ভিস আছে।
টেকেরঘাটের বড়ছড়া বাজারে সাধারণ মানের গেস্ট হাউস, নীলাদ্রি (শহীদ সিরাজ) লেকের কাছে; নন-এসি ডাবল রুম।
সুনামগঞ্জের স্টেশন রোডে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে পুরোনো বাজেট হোটেল; সংযুক্ত বাথরুমসহ নন-এসি ও এসি রুম।
সুনামগঞ্জ শহরের স্টেশন রোডে (মেজর ইকবাল রোড) একটি ভবনের পাঁচতলায় বাজেট আবাসিক হোটেল।
পূর্ব দরগাহ গেটে মাজারের কাছে হোটেল, নাশতা, ওয়াই-ফাই, পার্কিং ও রুম সার্ভিস আছে।
বন্দরবাজারে শহরের বাজার এলাকার কাছে হোটেল, স্যুট, রেস্টুরেন্ট ও অনুষ্ঠানের জায়গা আছে।
আম্বরখানার এয়ারপোর্ট রোডে পুরোনো সাশ্রয়ী হোটেল, স্ট্যান্ডার্ড ও ডিলাক্স রুম এবং স্যুট আছে।
দরগাহ গেটে শাহজালাল (র.) মাজারের পাশে সাশ্রয়ী হোটেল, ফ্রি ওয়াই-ফাই ও ২৪ ঘণ্টা রিসেপশন আছে।
সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন বাস স্টেশনে সুবক্ত রাজা কমপ্লেক্সে বাজেট হোটেল, এসি ও নন-এসি রুম আছে।
পূর্ব দরগাহ গেটে এসি ও নন-এসি রুমের সাশ্রয়ী হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজারের কাছে।
আম্বরখানার ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডের হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজারের কাছে, শাবিপ্রবির আইসিইআরআইই ২০২৭ সম্মেলনের অতিথিদের জন্য তালিকাভুক্ত।
আম্বরখানার এয়ারপোর্ট রোডে হিল টাওয়ার কমপ্লেক্সে মাঝারি মানের হোটেল, এসি ও ফ্যামিলি রুম আছে।
সুরমার দক্ষিণে কদমতলীর মতিন কমপ্লেক্সে সাশ্রয়ী হোটেল, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের কাছে।
জিন্দাবাজারের পূর্বে মীরাবাজারে তামাবিল রোডের হোটেল, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলনের অতিথিদের জন্য তালিকাভুক্ত।
সিলেট শহরের কেন্দ্রে নাইওরপুল পয়েন্টে হক টাওয়ারের হোটেল, শাবিপ্রবির আইসিইআরআইই ২০২৭ সম্মেলনের অতিথিদের জন্য তালিকাভুক্ত।
সুনামগঞ্জ শহরের সাহেববাড়ি ঘাট থেকে দুই দিন এক রাতের টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের হাউসবোট।
জাফলংয়ের বিজিবি ক্যাম্প রোডে কাঠের তৈরি ছোট রিসোর্ট, পিয়াইন নদী ও জিরো পয়েন্টের কাছে।
শাহজালাল উপশহরের আবাসিক ব্লকে ব্র্যান্ডেড সিটি হোটেল, এসি রুম ও রেস্টুরেন্ট আছে।
জলছবি: টাঙ্গুয়ার হাওরে রাত্রিযাপনের হাউসবোট; বুকিং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে।
জলকাব্য: টাঙ্গুয়ার হাওরে রাত্রিযাপনের হাউসবোট; বুকিং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে।
টাঙ্গুয়ার হাওরের বড় কাঠের হাউসবোট; আটটি কক্ষ, খোলা লাউঞ্জ ও ঘাসে ঢাকা ছাদবাগান।
জলতরঙ্গ: টাঙ্গুয়ার হাওরে রাত্রিযাপনের হাউসবোট; বুকিং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে।
রাধানগরের জেরিন রোডে গাছপালার মাঝে পাকা ও বাঁশের কটেজসহ ইকো রিসোর্ট; খাবার অর্ডার করা যায়।
মাছরাঙা: টাঙ্গুয়ার হাওরে রাত্রিযাপনের হাউসবোট; বুকিং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে।
পূর্ব দরগাহ গেটে কম খরচের আবাসিক হোটেল, মূলত শাহজালাল (র.) মাজারের জিয়ারতকারীদের জন্য।
টাঙ্গুয়ার হাওরের আট কেবিনের হাউসবোট; তালা দেওয়া কেবিন, দুটি সংযুক্ত ও দুটি কমন বাথরুম।
সুনামগঞ্জের রিভারভিউ ঘাট থেকে টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের ছয় কেবিনের হাউসবোট; প্রতি কেবিনে দুই-তিনজন।
রাধানগরের বিশামনিতে বিশামনি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিপরীতে চা-বাগান এলাকার ছোট থাকার জায়গা।
রাধানগরের পুরোনো ইকো কটেজ; বাগানের মধ্যে বাঁশের কটেজ ও এসি রুম, স্থানীয় খাবার পরিবেশন করে।
চুনারুঘাটে রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের প্রধান ফটকের পাশে ছোট কটেজ; তিন কক্ষে প্রায় আটজন থাকা যায়।
তাহিরপুরভিত্তিক কেবিন হাউসবোট, টাঙ্গুয়ার হাওরে রাত্রিযাপনের জন্য; দুই বা তিনজনের কেবিন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার মোহাজিরাবাদ গ্রামের একটি ইকো রিসোর্ট, স্থানীয় ভ্রমণ গাইডে তালিকাভুক্ত।
দরগাহ গেটের এইচএস টাওয়ারে বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট, শাহজালাল (র.) মাজারের কাছে, এসি রুম ও নাশতা আছে।
মৌলভীবাজার শহরের পূর্বে রাজনগর উপজেলার টেংরা বাজারে রিসোর্ট, জেলা প্রশাসনের তালিকাভুক্ত।
মৌলভীবাজার শহরের বাইরে কুলাউড়া সড়কে মনু নদী থেকে বের হওয়া ইউ-আকৃতির লেকের পাশে রিসোর্ট।
জিন্দাবাজারের আল-হামরা শপিং সিটির ওপরের তলায় হোটেল ও স্যুট, রেস্টুরেন্ট ও ব্যাংকুয়েট হল আছে।
জাফলংয়ের বল্লা ঘাট রোডে নদীর পাড়ের রিসোর্ট, নদী ও জিরো পয়েন্টের দৃশ্য দেখা যায়; সিঙ্গেল থেকে ট্রিপল রুম।
রূপকথা: টাঙ্গুয়ার হাওরে রাত্রিযাপনের হাউসবোট; বুকিং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে।
টাঙ্গুয়ার হাওরের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত হাউসবোট, প্রায় ৫০০ বর্গফুটের লবি আছে।
কাঁঠালতলীতে হোটেল; এখান থেকেই কুলাউড়া-বড়লেখা সড়ক ছেড়ে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের পথ শুরু।
কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নে ট্যুরিস্ট গেস্ট হাউস, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের আবাসন তালিকাভুক্ত।
শাহজালাল রোডে স্টেশন ক্লাব বাণিজ্যিক ভবনে রেস্ট হাউস, বন্দরবাজার ও জিন্দাবাজারের কাছে।
সুনামগঞ্জ শহরের শোলাঘর রোডে আবাসিক হোটেল; নন-এসি ও এসি কাপল, ডাবল ও ফ্যামিলি রুম।
শাল্লা উপজেলা সদর ঘুঙ্গিয়ারগাঁওয়ে একক ও দ্বৈত কক্ষসহ ছোট বেসরকারি আবাসিক হোটেল।
অভিযাত্রিক টাঙ্গুয়ার হাওরে টাঙ্গুয়ার অভিযাত্রিক ও হাওরযাত্রিকসহ হাউসবোট চালায়, সর্বোচ্চ ১৮ জনের দলের জন্য।
ভানুগাছ সড়কে চা বোর্ডের রিসোর্ট, ব্রিটিশ আমলের বাংলো ঘিরে গড়া; চা জাদুঘর ও সুইমিং পুল আছে।
শ্রীমঙ্গল শহরের উত্তরে ভৈরবগঞ্জ বাজারের রিসোর্ট; সুইমিং পুল, শিশুদের জায়গা ও চত্বরে ছোট চা-বাগান আছে।
টাঙ্গুয়ার হাওরের হাউসবোট; ব্যালকনি ও সংযুক্ত বাথরুমসহ ভিআইপি এসি কেবিন, দুই দিন এক রাতের ভ্রমণ।
পূর্ব মিরাবাজারে তামাবিল রোডে ২১ রুমের বুটিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও স্পা আছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা সদর ভানুগাছে অবস্থিত ইকো-লজ, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের আবাসন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।
টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের তিনটি হাউসবোটের পরিচালক; সুনামগঞ্জের তেঘরিয়া রোডে অফিস।
শ্রীমঙ্গলের পশ্চিম পাশে উত্তরসুরের রিসোর্ট; বড় সুইমিং পুল, যা দিনের অতিথিরা ফি দিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
টাঙ্গুয়ার হাওরের পর্যটক হাউসবোট; ২০২৪ সালের প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী এর পরিচালনাকারীর দুটি বোট আছে।
শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে চা-বাগানঘেরা রিসোর্ট-গ্রাম রাধানগরের একটি ইকো রিসোর্ট।
টাঙ্গুয়ার হাওরে একাধিক পর্যটক বোট চালানো হাউসবোট প্রতিষ্ঠান; ২০২৪ মৌসুমে সব বোট বুকড ছিল বলে খবরে আসে।
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের পর্যটক হাউসবোট; ২০২৪ সালে প্রথম আলোর প্রতিবেদনে নাম এসেছে।
কুমারপাড়ায় ২০২৪ সালে চালু ৪৩ রুমের চার তারকা হোটেল, সুইমিং পুল, ছাদে আরবীয় রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে আছে।
ধর্মপাশার পূর্ব বাজারে বেসরকারি আবাসিক হোটেল, ২০২৫ সালে উপজেলা তথ্য বাতায়নে তালিকাভুক্ত।
জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় নলজুর নদীর তীরে, আর্চ ব্রিজের কাছে ২০২৬ সালের অক্টোবরে চালু হওয়া আবাসিক হোটেল।
জাফলংয়ে পিয়াইন নদীর ওপারে খাসিয়াপুঞ্জিতে খাসি পরিবারের হোমস্টে, ২০২৫ সালে ট্যুরিজম বোর্ড ও আইএলওর সহায়তায় চালু।
শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে চা-বাগানঘেরা রাধানগর গ্রামের একটি ইকো রিসোর্ট।
মুন অব টাঙ্গুয়া: সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের পর্যটক হাউসবোট, ২০২৬ মৌসুমে চালু ছিল বলে খবরে আসে।
সুনামগঞ্জ শহরে সুরমা নদীর ওয়েজখালী ঘাটে নোঙর করা টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের পর্যটক হাউসবোট।
দাম প্রত্যেক পার্টনার নির্ধারণ করেন এবং ব্যস্ত মৌসুমে বদলাতে পারে।