জাফলং পর্যটন মোটেল
জাফলংয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ছোট সরকারি মোটেল, বাজার এলাকা থেকে একটু বাইরে।
ছবি: Derived Constant, CC BY 4.0, Wikimedia Commons
খাসিয়া পাহাড় আর ডাউকি সেতুর নিচে পাথরের বুক বেয়ে বয়ে চলে পিয়াইন নদী।
জাফলং সিলেট বিভাগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভ্রমণস্থানগুলোর একটি। শুকনো মৌসুমে নদীর পানি স্বচ্ছ সবুজ থাকে, আর ওপারে সোজা উঠে গেছে মেঘালয়ের পাহাড়। নৌকায় পার হয়ে যাওয়া যায় সংগ্রামপুঞ্জিসহ খাসিয়া পুঞ্জিগুলোতে, যেখানে গাছ বেয়ে উঠেছে পানের লতা। বছরের পর বছর পাথর তোলায় নদীর পাথুরে বুক অনেক পাতলা হয়েছে, তাই পুরোনো ছবির চেয়ে পাথর কম দেখবেন।




স্বচ্ছ পানি আর শান্ত নৌভ্রমণের জন্য শীতকাল। বর্ষায় নদী ঘোলা ও খরস্রোতা হয়, তবে ওপারের পাহাড়ে ঝরনা দেখা যায়।
সিলেট–তামাবিল মহাসড়ক ধরে গাড়ি বা সিএনজিতে যান, অথবা শিবগঞ্জ বা কদমতলী থেকে জাফলংয়ের লোকাল বাসে।
নৌকার ভাড়া ঠিক হয় পুরো নৌকা হিসেবে, যাওয়া-আসা মিলিয়ে; ওঠার আগে দরদাম করে নিন। ছুটির মৌসুমে সিলেট থেকে সারা দিনের গাড়িভাড়া বেশি থাকে।
তামাবিলের ছুটির দিনের যানজট এড়াতে সকাল ৮টার মধ্যে সিলেট থেকে রওনা দিন। একই পথে লালাখাল বা জৈন্তাপুর ঘুরে আসা যায়। জাফলংয়ে কেনা শুল্ক ছাড়া ভারতীয় পণ্য তামাবিল সড়কের পুলিশ চেকপোস্টে জব্দ হতে পারে।
জাফলংয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ছোট সরকারি মোটেল, বাজার এলাকা থেকে একটু বাইরে।

সিলেট–তামাবিল সড়কে সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা তামাবিলের রিসোর্ট, জাফলং থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে।
ভিড়ের আগে লাইসেন্সধারী মাঝি নিয়ে যান ডুবে থাকা গাছের ফাঁকে।
হাদারপার থেকে পাথুরে এলাকা আর সীমান্তের ঝর্ণা পর্যন্ত আধাবেলার ইঞ্জিন নৌকা।
কয়েক স্তরের পাহাড় এসে মিলেছে এক জায়গায়, মসৃণ পাথরের ওপর দিয়ে বয়ে যায় ঠান্ডা স্বচ্ছ পানি।
মেঘালয়ের পাহাড় থেকে পিয়াইনে নেমে আসা চওড়া ঝরনা, দেখা যায় সীমান্তের এক গ্রাম থেকে।