
গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্ট অ্যান্ড ট্যুর
রামনগর মণিপুরীপাড়ায় চা-বাগানের পাশে রিসোর্ট, শহর থেকে ৩ কিলোমিটার; খোলা সুইমিং পুল ও ২৮টি স্যুট আছে।
হোটেল, রিসোর্ট ও হাউসবোটে সরাসরি ফোন বা মেসেজ করুন, অথবা অনলাইন অগ্রিম নেন এমন পার্টনারকে বুকিং অনুরোধ পাঠান।

রামনগর মণিপুরীপাড়ায় চা-বাগানের পাশে রিসোর্ট, শহর থেকে ৩ কিলোমিটার; খোলা সুইমিং পুল ও ২৮টি স্যুট আছে।

চা-বাগানে ঘেরা বড় পাঁচ তারকা রিসোর্ট; গলফ কোর্স ও সুইমিং পুল আছে, শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার।

রাধানগরের বিশামনিতে টিলার ওপর ইকো রিসোর্ট; কটেজ, ভিলা, সুইমিং পুল আর চা ও আনারস বাগানের দৃশ্য।

রাধানগরে ভানুগাছ সড়কের কটেজ রিসোর্ট; টিন ও বাঁশের কটেজ, কাচের ঘর আর টিলার দৃশ্যসহ ভিলা।

রাধানগরের হোটেল ও রিসোর্ট; সুইমিং পুল, স্পা, জাকুজি, ফিটনেস সেন্টার, রেস্তোরাঁ ও পাহাড়ি ক্যাফে আছে।

শ্রীমঙ্গলের উত্তরে সিলেট-মৌলভীবাজার মহাসড়কের রাজাপুরে রিসোর্ট; সুইমিং পুল, কটেজ ও ফ্যামিলি রুম আছে।

রাধানগরে ফিনলে চা-বাগানের পাশে খামারভিত্তিক ছোট ইকো রিসোর্ট; বাঁশ ও কাঠের কটেজ, নিজেদের খামারের খাবার।

রাধানগরের রিসোর্ট; কটেজ, ডিলাক্স রুম ও প্রাইভেট পুলসহ ভিলা আছে, লাউয়াছড়া থেকে প্রায় দশ মিনিটের পথ।
রাধানগরের হোটেল ও রিসোর্ট, আগে নাম ছিল এসকেডি আমার বাড়ি রিসোর্ট; রুম বুকিংয়ের সঙ্গে পুলে সাঁতারের সুযোগ।

জেরিন চা-বাগানের কাছে ভানুগাছ সড়কের পাশে পরিবার পরিচালিত ছোট গেস্টহাউস; ঘরোয়া খাবার ও গাইডসহ হাঁটা।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের কাছে লাউয়াছড়া সড়কের রিসোর্ট; বড় সুইমিং পুল, স্পা, জিম ও নানা ধরনের স্যুট আছে।

শ্রীমঙ্গলের রাজাপুরে রিসোর্ট; সুইমিং পুল, চায়ের লাউঞ্জ, বাগান ক্যাফে এবং কাঠের ভিলা ও কটেজ আছে।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কাছে ঢাকা-মৌলভীবাজার মহাসড়কের হোটেল; রেস্তোরাঁ, লিফট ও কনফারেন্স রুম আছে।
শ্রীমঙ্গল শহরের কাছে হবিগঞ্জ সড়কের উত্তরসুরে কম খরচের রিসোর্ট; সুইমিং পুল ও ছাদের রেস্তোরাঁ আছে।
রাধানগরের জেরিন রোডে গাছপালার মাঝে পাকা ও বাঁশের কটেজসহ ইকো রিসোর্ট; খাবার অর্ডার করা যায়।
রাধানগরের বিশামনিতে বিশামনি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিপরীতে চা-বাগান এলাকার ছোট থাকার জায়গা।
রাধানগরের পুরোনো ইকো কটেজ; বাগানের মধ্যে বাঁশের কটেজ ও এসি রুম, স্থানীয় খাবার পরিবেশন করে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার মোহাজিরাবাদ গ্রামের একটি ইকো রিসোর্ট, স্থানীয় ভ্রমণ গাইডে তালিকাভুক্ত।
ভানুগাছ সড়কে চা বোর্ডের রিসোর্ট, ব্রিটিশ আমলের বাংলো ঘিরে গড়া; চা জাদুঘর ও সুইমিং পুল আছে।
শ্রীমঙ্গল শহরের উত্তরে ভৈরবগঞ্জ বাজারের রিসোর্ট; সুইমিং পুল, শিশুদের জায়গা ও চত্বরে ছোট চা-বাগান আছে।
শ্রীমঙ্গলের পশ্চিম পাশে উত্তরসুরের রিসোর্ট; বড় সুইমিং পুল, যা দিনের অতিথিরা ফি দিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে চা-বাগানঘেরা রিসোর্ট-গ্রাম রাধানগরের একটি ইকো রিসোর্ট।
শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে চা-বাগানঘেরা রাধানগর গ্রামের একটি ইকো রিসোর্ট।
দাম প্রত্যেক পার্টনার নির্ধারণ করেন এবং ব্যস্ত মৌসুমে বদলাতে পারে।