
ফারমিস গার্ডেন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট
মিরের ময়দানে রেস্টুরেন্টসহ ছোট কম খরচের হোটেল, প্রায় ২২টি রুম, সকালের নাস্তা, ওয়াই-ফাই, জেনারেটর ও সিসিটিভি পার্কিং আছে।
হোটেল, রিসোর্ট ও হাউসবোটে সরাসরি ফোন বা মেসেজ করুন, অথবা অনলাইন অগ্রিম নেন এমন পার্টনারকে বুকিং অনুরোধ পাঠান।

মিরের ময়দানে রেস্টুরেন্টসহ ছোট কম খরচের হোটেল, প্রায় ২২টি রুম, সকালের নাস্তা, ওয়াই-ফাই, জেনারেটর ও সিসিটিভি পার্কিং আছে।
বড়শালায় বিমানবন্দর সড়কের পাঁচ তারকা হোটেল ও রিসোর্ট, ২৩৫টি রুম, ছাদে সুইমিং পুল, স্পা, সিনেমা হল ও শিশুদের খেলার জায়গা আছে।

আম্বরখানার ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডের তিন তারকা মানের হোটেল, থাই স্পা, জিম, ক্যাফে এবং সিঙ্গেল থেকে স্যুট পর্যন্ত রুম আছে।

সিলেট শহরের জিন্দাবাজারের পূর্বে নাইওরপুলে বঙ্গবীর রোডের হোটেল।

এয়ারপোর্ট রোডের আম্বরখানা পয়েন্টে শাহ কামাল মার্কেটে বাজেট থেকে মাঝারি মানের হোটেল; সিঙ্গেল, কাপল, ট্রিপল ও ফ্যামিলি রুম আছে।

পূর্ব দরগাহ গেটের রশীদ এম্পোরিয়ামের দোতলায় দুই তারকা হোটেল, ফ্যামিলি রুম ও স্যুট আছে।

দরগাহ গেটের হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজার থেকে হাঁটা দূরত্বে, ছাদে ইনফিনিটি পুল, জিম, স্পা ও বিনামূল্যে পার্কিং আছে।

জিন্দাবাজারের হযরত শাহজালাল রোডে ৩৪ রুমের সিটি হোটেল, চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও ফ্যামিলি স্যুট আছে।

তালতলা পয়েন্টে সাশ্রয়ী থেকে মাঝারি মানের হোটেল, ১,৫০০ টাকা থেকে রুম, ছয়জন পর্যন্ত ফ্যামিলি রুম ও ব্যাংকুয়েট হল আছে।

সুবহানীঘাটে সিলেট টাওয়ারের তিন তারকা হোটেল, প্রায় ৪০টি রুম, রেস্টুরেন্ট, ব্যাঙ্কুয়েট হল ও সকালের নাস্তা অন্তর্ভুক্ত।

লামাবাজারের ভিআইপি রোডে বুটিক হোটেল; ছাদে কাচঘেরা রেস্টুরেন্ট আছে এবং সব রুম ভাড়ায় নাশতা অন্তর্ভুক্ত।

জিন্দাবাজারের কাছে মির্জাজাঙ্গালের মাঝারি দামের হোটেল, ইনডোর সুইমিং পুল, ছাদে খাবারের জায়গা, জিম ও সভাকক্ষ আছে।

সিলেটের বড়শালায় এয়ারপোর্ট রোডে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মোটেল; এসি ও নন-এসি রুম, রেস্টুরেন্ট আছে।

সুনামগঞ্জ সড়কের ফাজিলচিশতে গেস্ট হাউস, সকালের নাস্তা, ওয়াই-ফাই, লিফট ও চারতলায় রেস্টুরেন্ট আছে।

তামাবিল সড়কে শহর থেকে ৭.৫ কিমি দূরে খাদিমনগরের টিলায় রিট্রিট, প্রায় ২৪টি রুম, দুটি পুল ও বনের দৃশ্যসহ রেস্টুরেন্ট আছে।

এয়ারপোর্ট রোডের বড়শালায় উচ্চমানের হোটেল, সুইমিং পুল, স্পা, ছাদে রেস্টুরেন্ট ও বিমানবন্দর ট্রান্সফার আছে।

শাহজালাল (র.) মাজারের বিপরীতে আজিজ টাওয়ারে কম খরচের হোটেল, স্ট্যান্ডার্ড, টুইন ও ফ্যামিলি রুম আছে।

জিন্দাবাজারের কাছে জল্লারপাড় রোডে নতুন উচ্চমানের হোটেল, গ্র্যান্ড প্যালেস গ্রুপের অংশ, সুইমিং পুল আছে।

পূর্ব দরগাহ গেটের হলি কমপ্লেক্সে ৫২ কক্ষের হোটেল, শাহজালাল দরগাহ থেকে হাঁটা পথ; লিফট ও রেস্টুরেন্ট আছে।

পূর্ব দরগাহ গেটের দশতলা হোটেল, ৮৩টি রুম, ছাদে সুইমিং পুল, ২৪ ঘণ্টার রেস্টুরেন্ট ও বড় ব্যাঙ্কুয়েট হল আছে।


পুলিশ লাইনের কাছে মীরের ময়দান পয়েন্টে মাঝারি মানের হোটেল; নাশতা অন্তর্ভুক্ত, রেস্টুরেন্ট, জিম ও কনভেনশন হল আছে।

খাদিমনগরে ছয় একর সাজানো টিলাভূমির রিসোর্ট, জাকুজিসহ ৩৫টি রুম, বড় সুইমিং পুল, স্পা ও ক্যাফে আছে।

উত্তর জেল রোডের ডব্লিউ টাওয়ারে হোটেল, পানসী রেস্টুরেন্টের সঙ্গে যুক্ত, ফ্যামিলি রুম ও নাশতা সহ।

শাহজালাল উপশহরের বড় হোটেল, ১৪০টি রুম ও স্যুট, ছাদে গরম পানির সুইমিং পুল, থাই স্পা ও একাধিক রেস্টুরেন্ট আছে।

মীরবক্সটুলায় হোটেল, বুফে নাশতা, মাল্টি-কুইজিন রেস্টুরেন্ট, ছাদে বারবিকিউ ও ব্যাংকুয়েট হল আছে।
দরগাহ মহল্লায় শাহজালাল (র.) মাজারের পাশে রেস্ট হাউস, এসি, নন-এসি ও সাশ্রয়ী রুম আছে।
দরগাহ গেটের ওয়েভস ব্লকে প্রায় ১০ রুমের ছোট বুটিক হোটেল, মাজার থেকে পাঁচ মিনিটের হাঁটা পথ।
শাহজালাল রোডের আম্বরখানা পয়েন্টে শহরের হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজারের কাছে; সিকৃবি ও শাবিপ্রবির সম্মেলনের সহযোগী হোটেল।
শহরের পূর্বে খাদিমনগরের দলইপাড়ায় হোটেল ও রিসোর্ট, রুম ও বিনোদনের ব্যবস্থা আছে।
এয়ারপোর্ট রোডের এয়ারপোর্ট গেটে হোটেল ও কমিউনিটি সেন্টার, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে।
শাহজালাল (র.) মাজারের মূল গেটে জিয়ারতকারীদের জন্য হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও রুম সার্ভিস আছে।
শাহজালাল মাজার থেকে প্রায় এক মিনিটের পথে ৫০ কক্ষের হোটেল; ব্যাংকুয়েট হল, ২৪ ঘণ্টার রেস্টুরেন্ট ও ছাদে খোলা জায়গা আছে।
পূর্ব দরগাহ রোডে নতুন চালু হওয়া সাশ্রয়ী রেস্ট হাউস, শাহজালাল (র.) মাজার থেকে অল্প হাঁটা পথ।
১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত তেলিহাওরের ভিআইপি রোডে হোটেল, কিন ব্রিজের কাছে, ৬২টি রুম, রেস্টুরেন্ট ও কনফারেন্স হল আছে।
সুরমার দক্ষিণে কদমতলীর হুমায়ূন রশিদ চত্বরে হোটেল; কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশনের কাছে।
রাজারগলিতে এসি ও কাপল রুমের আবাসিক হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজার থেকে কয়েক মিনিটের পথ।
তেলিহাওরে নন্দিতা সিনেমা হলের কাছে প্রায় ৬০ রুমের দুই তারকা সাশ্রয়ী হোটেল, শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১ কিমি।
সিলেটের প্রধান কেনাকাটা ও রেস্টুরেন্ট এলাকা পূর্ব জিন্দাবাজারে শহরের কেন্দ্রস্থলের হোটেল।
পাঠানটুলার মদিনা মার্কেটে আখতার শপিং সিটির সাততলায় হোটেল, শাবিপ্রবির সম্মেলনগুলোর সহযোগী হোটেল হিসেবে ব্যবহৃত।
মেন্দিবাগের গাজী বুরহান উদ্দিন রোডে সাশ্রয়ী হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ব্যাংকুয়েট সুবিধা আছে।
দরগাহ মহল্লা রোডে প্রায় ৩০ রুমের হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজার থেকে প্রায় পাঁচ মিনিটের হাঁটা পথ।
পূর্ব জিন্দাবাজারের বারুতখানা পয়েন্টে সিম্ফনি হাইটসে হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ছাদ আছে।
পূর্ব দরগাহ গেটের লাভলী কমপ্লেক্সে প্রায় ২০টি এসি রুমের দুই তারকা সাশ্রয়ী হোটেল।
ঝরনারপাড়ে পশ্চিম দরগাহ গেটে সাশ্রয়ী হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজার থেকে অল্প হাঁটা পথ।
বিমানবন্দর সড়কের আম্বরখানা পয়েন্টের হোটেল, শাবিপ্রবির আইসিইআরআইই ২০২৭ সম্মেলনের অতিথিদের জন্য তালিকাভুক্ত।
কদমতলী পয়েন্টে ফেঞ্চুগঞ্জ রোডে সাশ্রয়ী আবাসিক হোটেল; কদমতলী বাস টার্মিনালের কাছে।
সোবহানীঘাটে এসি ও নন-এসি রুমের সাশ্রয়ী আবাসিক হোটেল, রুম সার্ভিস ও ব্যাংকুয়েট হল আছে।
সুরমা নদীর তীর ও কিন ব্রিজের কাছে পূর্ব বন্দরবাজারে পুরনো শহরকেন্দ্রের হোটেল।
মিরাবাজারে তামাবিল রোডের মিরা টাওয়ারে হোটেল, গার্ডেন রেস্টুরেন্ট ও রুম সার্ভিস আছে।
পূর্ব দরগাহ গেটে মাজারের কাছে হোটেল, নাশতা, ওয়াই-ফাই, পার্কিং ও রুম সার্ভিস আছে।
বন্দরবাজারে শহরের বাজার এলাকার কাছে হোটেল, স্যুট, রেস্টুরেন্ট ও অনুষ্ঠানের জায়গা আছে।
আম্বরখানার এয়ারপোর্ট রোডে পুরোনো সাশ্রয়ী হোটেল, স্ট্যান্ডার্ড ও ডিলাক্স রুম এবং স্যুট আছে।
দরগাহ গেটে শাহজালাল (র.) মাজারের পাশে সাশ্রয়ী হোটেল, ফ্রি ওয়াই-ফাই ও ২৪ ঘণ্টা রিসেপশন আছে।
পূর্ব দরগাহ গেটে এসি ও নন-এসি রুমের সাশ্রয়ী হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজারের কাছে।
আম্বরখানার ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডের হোটেল, শাহজালাল (র.) মাজারের কাছে, শাবিপ্রবির আইসিইআরআইই ২০২৭ সম্মেলনের অতিথিদের জন্য তালিকাভুক্ত।
আম্বরখানার এয়ারপোর্ট রোডে হিল টাওয়ার কমপ্লেক্সে মাঝারি মানের হোটেল, এসি ও ফ্যামিলি রুম আছে।
সুরমার দক্ষিণে কদমতলীর মতিন কমপ্লেক্সে সাশ্রয়ী হোটেল, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের কাছে।
জিন্দাবাজারের পূর্বে মীরাবাজারে তামাবিল রোডের হোটেল, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলনের অতিথিদের জন্য তালিকাভুক্ত।
সিলেট শহরের কেন্দ্রে নাইওরপুল পয়েন্টে হক টাওয়ারের হোটেল, শাবিপ্রবির আইসিইআরআইই ২০২৭ সম্মেলনের অতিথিদের জন্য তালিকাভুক্ত।
শাহজালাল উপশহরের আবাসিক ব্লকে ব্র্যান্ডেড সিটি হোটেল, এসি রুম ও রেস্টুরেন্ট আছে।
পূর্ব দরগাহ গেটে কম খরচের আবাসিক হোটেল, মূলত শাহজালাল (র.) মাজারের জিয়ারতকারীদের জন্য।
দরগাহ গেটের এইচএস টাওয়ারে বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট, শাহজালাল (র.) মাজারের কাছে, এসি রুম ও নাশতা আছে।
জিন্দাবাজারের আল-হামরা শপিং সিটির ওপরের তলায় হোটেল ও স্যুট, রেস্টুরেন্ট ও ব্যাংকুয়েট হল আছে।
শাহজালাল রোডে স্টেশন ক্লাব বাণিজ্যিক ভবনে রেস্ট হাউস, বন্দরবাজার ও জিন্দাবাজারের কাছে।
পূর্ব মিরাবাজারে তামাবিল রোডে ২১ রুমের বুটিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও স্পা আছে।
কুমারপাড়ায় ২০২৪ সালে চালু ৪৩ রুমের চার তারকা হোটেল, সুইমিং পুল, ছাদে আরবীয় রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে আছে।
দাম প্রত্যেক পার্টনার নির্ধারণ করেন এবং ব্যস্ত মৌসুমে বদলাতে পারে।