জৈন্তাপুর রাজবাড়ি ও মেগালিথ

ছবি: Md Rafayat Haque Khan, CC BY-SA 4.0, Wikimedia Commons

জৈন্তাপুর ও লালাখাল

জৈন্তাপুর রাজবাড়ি ও মেগালিথ

জৈন্তিয়া রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ আর রাজকীয় আচারের সাক্ষী খাড়া পাথর।

১৮৩৫ সালে ব্রিটিশরা রাজ্যটি দখলের আগ পর্যন্ত জৈন্তাপুর ছিল জৈন্তিয়া রাজাদের রাজধানী। ইটের রাজবাড়ি এখন ধ্বংসস্তূপ, তবে মহাসড়কের পাশের মেনহির ও ডলমেনগুলো, বাংলাপিডিয়ার ভাষায় যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে পাওয়া একমাত্র মেগালিথ, দেখার মতো। পাথরগুলোর ওপর বসবেন না, উঠবেনও না।

কীভাবে যাবেন
সিলেট শহর থেকে ৪২ কিমি, প্রায় দেড় ঘণ্টা
ঘোরার সময়
আধাবেলা
আগ্রহ
ঐতিহ্য ও মাজার

কখন যাবেন

জানু
ফেব্রু
মার্চ
এপ্রি
মে
জুন
জুলাই
আগ
সেপ্ট
অক্টো
নভে
ডিসে
সেরাভালোউপযুক্ত নয়

বিশেষ আকর্ষণ

  • তামাবিল সড়কের পাশে মেগালিথ পাথর
  • জৈন্তিয়া রাজপ্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ
  • লালাখাল আর জাফলংয়ের মাঝে সহজ বিরতি

আরও ছবি

যাওয়ার সেরা সময়

অক্টোবর থেকে মার্চ, যখন মাটি শুকনো আর আলো নরম।

কীভাবে যাবেন

সিলেট–তামাবিল মহাসড়কে জৈন্তাপুর বাজারে।

খরচ

প্রবেশ বিনামূল্যে।

স্থানীয় পরামর্শ

রাজবাড়ির গলির পথ বাজারে জিজ্ঞেস করে নিন, নির্দেশফলক ভালো নয়।

ম্যাপের চিহ্ন আনুমানিক। স্থানীয়ভাবে পথ নিশ্চিত করে নিন।পথনির্দেশ

কাছাকাছি থাকার জায়গা

সব দেখুন
জৈন্তা হিল রিসোর্ট
রিসোর্ট · জৈন্তাপুর ও লালাখাল

জৈন্তা হিল রিসোর্ট

সিলেট–তামাবিল সড়কে সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা তামাবিলের রিসোর্ট, জাফলং থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে।

সর্বনিম্ন ৳২,৫০০ প্রতি রাতসর্বোচ্চ ৮ জন
নাজিমগড় লালাখাল (ওয়াইল্ডারনেস রিসোর্ট)
রিসোর্ট · জৈন্তাপুর ও লালাখাল

নাজিমগড় লালাখাল (ওয়াইল্ডারনেস রিসোর্ট)

লালাখালে সারি নদীর ওপরে টিলার রিসোর্ট, এখানে ইনফিনিটি পুল, নদীমুখী রেস্তোরাঁ ও নৌভ্রমণের ব্যবস্থা আছে; পরিচালনায় নাজিমগড় রিসোর্টস।

দাম জানতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করুন

এখানে যা বুক করা যায়

জাফলং, লালাখাল ও জৈন্তাপুর দিনের ট্যুর
নমুনা তালিকা
দিনের ট্যুর · জৈন্তাপুর ও লালাখাল

জাফলং, লালাখাল ও জৈন্তাপুর দিনের ট্যুর

চালকসহ ব্যক্তিগত গাড়িতে সারাদিন, লালাখালের নৌকা ও জাফলংয়ে নদী পারাপারসহ।

সর্বনিম্ন ৳৭,৫০০ দলপ্রতিসর্বোচ্চ ৬ জন

জৈন্তাপুর ও লালাখাল এলাকায় আরও

লালাখাল
জৈন্তাপুর ও লালাখাল

লালাখাল

শুকনো মৌসুমে চা-ঢাকা দুই পাড়ের মাঝে সারি নদীর পানি হয়ে ওঠে গাঢ় নীলচে-সবুজ।