
গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্ট অ্যান্ড ট্যুর
রামনগর মণিপুরীপাড়ায় চা-বাগানের পাশে রিসোর্ট, শহর থেকে ৩ কিলোমিটার; খোলা সুইমিং পুল ও ২৮টি স্যুট আছে।
ছবি: Mohammed Tawsif Salam, CC BY-SA 3.0, Wikimedia Commons
চালু মাধবপুর চা-বাগানের ভেতরে আঁকাবাঁকা জলাধার, যেখানে ফোটে নানা রঙের শাপলা, নীলপদ্মও।
কমলগঞ্জের এক চালু চা-বাগানের ভেতরে উপত্যকা জুড়ে লেকটি, শ্রীমঙ্গল থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার। এটি বাগানের নিজস্ব লেক, দর্শনার্থীদের সব সময় ঢুকতে দেওয়া হয় না; আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টাই যথেষ্ট।



সারা বছর যাওয়া যায়; শাপলা কখন ফুটছে স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।
শ্রীমঙ্গল থেকে কমলগঞ্জ হয়ে সিএনজিতে।
বাগান প্রবেশ ফি নিতে পারে, আবার প্রবেশ না-ও দিতে পারে; গেটে জেনে নিন।
একই পথে লাউয়াছড়ার সঙ্গে ঘুরে আসুন।

রামনগর মণিপুরীপাড়ায় চা-বাগানের পাশে রিসোর্ট, শহর থেকে ৩ কিলোমিটার; খোলা সুইমিং পুল ও ২৮টি স্যুট আছে।

চা-বাগানে ঘেরা বড় পাঁচ তারকা রিসোর্ট; গলফ কোর্স ও সুইমিং পুল আছে, শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার।

রাধানগরের বিশামনিতে টিলার ওপর ইকো রিসোর্ট; কটেজ, ভিলা, সুইমিং পুল আর চা ও আনারস বাগানের দৃশ্য।
প্রশিক্ষিত বন্যপ্রাণী গাইডের সঙ্গে লম্বা পথে ভোরের তিন ঘণ্টার হাঁটা।
বাগানের রাস্তায় গাইডসহ ২০ কিলোমিটার সাইকেল ভ্রমণ, শেষে সাত রঙের চা।
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন, যেখানে গাছের মাথায় উল্লুকের ডাক শোনা যায় আর মাঝ দিয়ে চলে গেছে রেললাইন।