জুন থেকে সেপ্টেম্বর রাতারগুল ডোবে, ঝরনা জাগে আর টাঙ্গুয়ার হাওর হয়ে ওঠে সাগর।
সিলেট বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল জায়গাগুলোর একটি, বছরে প্রায় ৪,০০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, আর সীমান্তের ঠিক ওপারে মেঘালয়ের পাহাড়ে হয় অতিবৃষ্টি। এর সেরা অনেক দৃশ্য শুধু বর্ষাতেই দেখা যায়, যখন মেঘালয় মালভূমি থেকে পানি নেমে আসে নিচের নদী আর হাওরে।
যেসব জায়গার জন্য বৃষ্টি লাগে
- রাতারগুল জলাবন: গাছ দাঁড়িয়ে থাকে পানিতে, ঘুরতে হয় নৌকায়।
- বিছনাকান্দি ও পান্থুমাই: ভরা ছড়া আর সীমান্তের ওপারে চওড়া ঝরনা।
- সাদা পাথর: পাহাড়ি ঠান্ডা স্বচ্ছ পানি, তবে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে লুটেরারা সাদা পাথরের বেশির ভাগই তুলে নিয়ে গেছে, আর ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে তার কেবল একটা অংশ ফেরানো হয়েছে; খোঁড়া জায়গায় গভীরতা হঠাৎ বদলে যায়, তাই যাওয়ার আগে অবস্থা জেনে নিন।
- টাঙ্গুয়ার হাওর: পাহাড়ের নিচে খোলা পানি; ২০২৬ সালের ২ আগস্ট থেকে এর সংরক্ষিত মূল এলাকায় হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযান নিষিদ্ধ, তাই কোন পথ খোলা আছে জেনে নিন।
- মাধবকুণ্ড ও হামহাম: পূর্ণ প্রবাহের জলপ্রপাত।
আবহাওয়া বুঝে পরিকল্পনা
বৃষ্টি প্রায়ই প্রবল ঝাপটায় আসে, মাঝে মাঝে আকাশ পরিষ্কার থাকে। সকালে শুরু করুন, বিকেল নমনীয় রাখুন এবং সবসময় বন্যা ও ভূমিধসের সতর্কতা দেখুন। কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির পর সীমান্তের কাছের নদী কয়েক ঘণ্টায় ফুলে উঠতে পারে।
ছাতার বদলে হালকা রেইনকোট, দ্রুত শুকায় এমন কাপড়, গ্রিপওয়ালা স্যান্ডেল আর ফোনের জন্য ড্রাই ব্যাগ নিন।