প্রথম দিন শহরের মাজার আর চা-বাগান, দ্বিতীয় দিন পাথুরে নদী আর খাসিয়া পাহাড়।
শহরে থেকে দ্বিতীয় দিন খুব সকালে বের হলে দুই দিনেই সিলেটের মূল জায়গাগুলো দেখা যায়। নভেম্বর থেকে মার্চ এই পরিকল্পনা সবচেয়ে ভালো কাজ করে, যখন রাস্তা শুকনো আর নদী স্বচ্ছ।
প্রথম দিন: শহর
- সকাল: ভিড়ের আগে হযরত শাহজালালের মাজার, তারপর শহরের পূর্ব প্রান্তে শাহপরানের মাজার।
- দুপুরের আগে: দেশের সবচেয়ে পুরোনো বাণিজ্যিক চা-বাগান বলে পরিচিত মালনীছড়ার পথে হাঁটা।
- দুপুরের খাবার: জিন্দাবাজারে সাতকরা দিয়ে গরুর মাংস বা মাছের তরকারি।
- সন্ধ্যা: কিন ব্রিজ থেকে সূর্যাস্ত আর সুরমায় ছোট্ট নৌভ্রমণ।
দ্বিতীয় দিন: জাফলং ও লালাখাল
- সকাল ৮টার মধ্যে তামাবিল সড়ক ধরে রওনা। লালাখালে নেমে নীলচে-সবুজ সারি নদীতে দুই-তিন ঘণ্টার নৌভ্রমণ।
- জৈন্তাপুরে মহাসড়কের পাশে মেগালিথ দেখুন।
- বিকেল জাফলংয়ে: নৌকায় নদী পার হয়ে খাসিয়া পুঞ্জিগুলোতে যান।
- অন্ধকার নামার আগেই সিলেটে ফিরতে সময়মতো জাফলং ছাড়ুন; তামাবিল সড়ক সরু আর ব্যস্ত।
দ্বিতীয় দিনের জন্য চালকসহ একটি গাড়ি ভাড়া নিন। প্রতি জায়গায় যানবাহন বদলানোর চেয়ে এটা সস্তা ও নিরাপদ, আর চালক নৌকাঘাটগুলো চেনেন।
বর্ষায় গেলে
লালাখালের বদলে রাতারগুল জলাবনে যান, যা শুধু ডুবে থাকলেই দেখার মতো, আর আবহাওয়া ভালো থাকলে বিছনাকান্দি যোগ করুন। শহর ছাড়ার আগে বন্যা সতর্কতা দেখে নিন।