সীমান্তের নিয়ম, জলাভূমিতে আচরণ, মাজারের পোশাকবিধি আর নদী পরিষ্কার রাখার উপায়।
সিলেটের সেরা অনেক জায়গাই ভঙ্গুর: সীমান্ত নদী, সংরক্ষিত জলাভূমি আর চালু চা-বাগান। কয়েকটি সহজ অভ্যাস এগুলোকে খোলা ও স্বাগতময় রাখে।
- সীমান্তে বাংলাদেশের অংশে থাকুন, বিজিবির নির্দেশ মানুন আর বিজিবির চৌকির ছবি তুলবেন না। ২০২০ সালের ড্রোন নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় ড্রোন ওড়াতে আগাম অনুমতি লাগে; অনুমতি ছাড়া সীমান্তের কাছে বা সংরক্ষিত বনের ওপর কখনো ড্রোন ওড়াবেন না।
- জলাভূমি ও বনে শব্দ কম করুন, বন্যপ্রাণীকে খাবার দেবেন না, আর প্রতিটি মোড়ক ও বোতল সঙ্গে ফিরিয়ে আনুন।
- চলমান নিষেধাজ্ঞা মেনে চলুন: ২০২৬ সালের ২ আগস্ট থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরের সংরক্ষিত মূল এলাকায় হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযান নিষিদ্ধ, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাইক্কা বিল দর্শনার্থীদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ, আর সাদা পাথরের প্রতিটি পাথর যেখানে আছে সেখানেই থাকতে দিন।
- মাজারে কাঁধ ও হাঁটু ঢাকা পোশাক পরুন (২০২৩ সাল থেকে হাফপ্যান্ট পরে শাহজালালের মাজারের ফটক দিয়ে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয় না), অন্যরা যেখানে জুতা খোলেন সেখানে খুলুন, আর নামাজরত মানুষের ছবি তুলবেন না। নারীরা শাহজালালের কবর পর্যন্ত ওঠেন না।
- চা-বাগানে রাস্তায় থাকুন এবং শ্রমিকদের ছবি তোলার আগে জিজ্ঞেস করুন।
- স্থানীয় মাঝি ও গাইড নিন, আর শুরুর আগে ভাড়া ঠিক করে নিন।
পুনরায় ভরা যায় এমন বোতল সঙ্গে রাখুন। পাথরের ওপর ফেলে রাখা প্লাস্টিক পরের ঢলেই সোজা নদীতে চলে যায়।